ঢাকা সোমবার, ২২ জুলাই ২০২৪ , ৬ শ্রাবণ ১৪৩১ আর্কাইভস ই পেপার

nogod
nogod
bkash
bkash
uttoron
uttoron
Rocket
Rocket
nogod
nogod
bkash
bkash

ভারতে নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

আন্তর্জাতিক

আমাদের বার্তা, কলকাতা 

প্রকাশিত: ০০:১০, ২৯ মে ২০২৩

সর্বশেষ

ভারতে নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পুরনো সংসদ ভবনের শতবর্ষ পূরণের চার বছর আগেই আরেকটি নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন হলো। ২৪ লাখ শ্রমিকের দীর্ঘদিনের শ্রম আর ১ হাজার ২৫০ কোটি রুপি ব্যয়ে ৬৪ হাজার বর্গমিটার জমির উপর তৈরি ভারতের নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী  নরেন্দ্র মোদী। গতকাল রোববার যথারীতি পুজো ও হোমের মধ্য দিয়ে নতুন ভবনে রউদ্বোধন হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতীক সোনার রাজদন্ড বা সেঙ্গল লোকসভার অধ্যক্ষের আসনের পাশে স্থাপন করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে দূরে রেখে মোদীর এই উদ্বোধন আয়োজনের প্রবল বিরোধিতা করেছে ভারতের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। দেশের ২০ রাজনৈতিক দল এদিনের অনুষ্ঠান বয়কট করেছে। তবে ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে জোটে থাকা ১৮টি দলসহ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে ২৫টি পার্টি। বিরোধী রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা লালুপ্রসাদ যাদব নতুন সংসদ ভবনের আকৃতিকে কফিনের সঙ্গে তুলনা করে নতুন বিতর্ক জুড়ে দিয়েছেন।  
শুরু থেকেই সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের আওতায় তৈরি হওয়া এই নতুন সংসদ ভবন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মোট ৬৫ হাজার বর্গমিটার জমির উপর নির্মাণ করা হয়েছে ত্রিভুজাকৃতি চারতলা নতুন সংসদ ভবন। লোকসভার ছাদের আদল তৈরি হয়েছে ময়ূরের আদলে। অন্যদিকে পদ্মের আদলে তৈরি হয়েছে রাজ্যসভা। নয়া সংসদের মোট তিনটি দরজা রয়েছে। এগুলো হল জ্ঞানদ্বার, শক্তিদ্বার ও কর্মদ্বার।
নয়া সংসদ ভবন নির্মাণের জন্য প্রাথমিকভাবে ৮৬২ কোটি রুপি বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু ২০২১ খ্রিষ্টাব্দে লোকসভায় সরকার একটি জবাবে জানিয়েছিল, এই প্রকল্পের খরচ বৃদ্ধি হয়ে দাঁড়িয়েছে ৯৭১ কোটি। শেষ পর্যন্ত প্রকল্পের বাজেট বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৫০ কোটি। 
নতুন সংসদ ভবন নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে ২৬ হাজার ৪৫ মেট্রিক টন স্টিল, ৬৩ হাজার ৮০৭ মেট্রিক টন সিমেন্ট। এই প্রকল্প প্রায় ২৪ লাখ ১২ হাজার মানুষ দীর্ঘদিন কাজ করেছে। নয়া সংসদ ভবনটি তৈরি হয়েছে ৬৪ হাজার ৫০০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে। ভবিষ্যতে প্রাকৃতির বিপর্যয়ের কথা চিন্তা করে নতুন সংসদ ভবনে ভূমিকম্প প্রতিরোধে বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। 
এদিকে সোনার রাজদন্ড বা সেঙ্গল নিয়ে শাসক দলের সঙ্গে বিরোধী কংগ্রেস দলের প্রবল বিতর্ক হয়েছে। ভারতীয় জনতা পার্টি এটিকে ক্ষমতা গস্তান্তরের প্রতীক হিসেবে দেখাতে চেয়েছে। কিন্তু কংগ্রেস তা মানতে চায়নি। তবে লর্ড মাউন্টবেটন এই রাজদন্ড বা সেঙ্গল ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলার নেহরুর হাতে তুলে দিয়েছিলেন। এরপর এতোদিন এটি এলাহাবাদের মিউজিয়ামে রাখা ছিল। সেটিকেই উদ্ধার করে সংসদ ভবনে স্পিকারের আসনের পাশে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তামিলনাডুর বিখ্যাত অলঙ্কার নির্মাণশিল্পী ভুমিদি বাঙ্গারু চেট্টি পরিবার এই সেঙ্গল তৈরি করেছেন। এর মাথায় রয়েছে নন্দী ষাঁড়। এর উচ্চতা প্রায় পাঁচ ফুট।

জনপ্রিয়