ঢাকা সোমবার, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ , ২৩ মাঘ ১৪২৯ আর্কাইভস ই পেপার

মতামত থেকে আরও খবর

সুমিতা দেবীর জন্মদিন আজ

সুমিতা দেবীর জন্মদিন আজ

বাংলাদেশ টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুমিতা দেবীর জন্মদিন আজ । তিনি ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দের এই দিনে তিনি মানিকগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।  পঞ্চাশের দশকের শেষের দিকে ‘আসিয়া’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্র জীবনে পা রাখেন তিনি। তার অভিনীত আসিয়া চলচ্চিত্রটি ১৯৬১ খ্রিষ্টাব্দে শ্রেষ্ঠ বাংলা চলচ্চিত্রের পুরস্কার লাভ করেন। গুণী এই অভিনয় শিল্পী টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি কাজ করেছেন বেতার ও মঞ্চ নাটকেও।  তিনি প্রধান অভিনেত্রী হিসেবে পঞ্চাশটিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো হলো-কখনো আসেনি, সোনার কাজল, কাঁচের দেয়াল, এই তো জীবন, দুই দিগন্ত, আগুন নিয়ে খেলা, অভিশাপ, এ দেশ তোমার আমার, বেহুলা, ওরা ১১ জন ও আমার জন্মভূমি। এছাড়াও তিনি পাঁচটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেন।

ফজল-এ-খোদা: মূল্যায়নহীন স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব

ফজল-এ-খোদা: মূল্যায়নহীন স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব

ফজল-এ-খোদা দেশের স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব। একজন আলোচিত কবি-গীতিকার, শিশু সাহিত্যিক, সংগঠক ও পত্রিকার সম্পাদক। স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর  লেখা যে গানটি দেশবাসীকে সবচেয়ে বেশি অণুপ্রাণিত আর উজ্জ্বীবিত করেছিলো..সালাম সালাম হাজার সালাম.. শহীদ ভাইয়ের স্মরণে, আমার হৃদয় রেখে যেতে চাই..। অথচ অবিস্মরণীয় গানের কন্ঠশিল্পী মোহাম্মদ আবদুল জব্বার একাধিক পুরস্কার এবং সম্মাননায় ভূষিত হলেও বরেণ্য গীতিকার ফজল-এ-খোদা স্বাধীনতার ৫২ বছরেও কোনো স্বীকৃতি পাননি! আশ্চর্য, জাতির কী দুর্ভাগ্য!  তাঁর সহধর্মিনী মাহমুদা সুলতানা কথাসাহিত্যিক। তাদের ৩ সন্তান। সাংবাদিক ও ছড়াকার ওয়াসিফ এ খোদা, সাংবাদিক সজীব ওনাসিস ও ব্যাঙ্কার ওয়েসিস এ খোদা। 

আগের বইয়ের চেয়ে একধাপ পিছিয়ে!

আগের বইয়ের চেয়ে একধাপ পিছিয়ে!

নতুন শিক্ষাক্রমে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে আছে শিখনকালীন মূল্যায়ন, যেটি প্রাকটিক্যাল টিচিং লার্নিংয়ের কথাই বলে। একটি ভাষা শেখার ক্ষেত্রে বিষয়টি অত্যন্ত কার্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশের আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা ভারতের হিন্দি ফিল্ম আর সিরিয়াল দেখে হিন্দি কথা বলতে পারেন এবং হিন্দি বোঝেন। যদিও তারা হিন্দি অক্ষরের সঙ্গেও পরিচিত নন, হিন্দি বিদ্যালয়ে পড়েননি, শিক্ষকদের সহায়তা নেননি, কোনো পরীক্ষাও দেননি। শুধু ভারতীয় সিনেমা দেখেই হিন্দি শিখে ফেলেছেন! ইংরেজির ক্ষেত্রে হয়েছে পুরোপুরি উল্টো। আমরা দীর্ঘ বারো বছর  বাধ্যত্যমূলক বিষয় হিসেবে শিক্ষার্থীদের ইংরেজি পড়াচ্ছি। শুধু কি পড়াচ্ছি, তারা কোচিং করছেন, ক্লাস করছেন, প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়ছেন, পরীক্ষা দিচ্ছেন, বোর্ড থেকে ইংরেজিতে একটি গ্রেড নিয়ে পাসও করছেন। কিন্তু ইংরেজি না পারছেন বলতে, না পারছেন বুঝতে, না পারছেন নিজ থেকে দু’ চার লাইন লিখতে (ব্যতিক্রম দু’ চারজন ছাড়া)। প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত বেশির ভাগ মূল্যায়ন হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে। অর্থাৎ বিষয় শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সারা বছর ধরে অ্যাসাইনমেন্টভিত্তিক কাজ, প্রকল্পভিত্তিক শিখনচর্চা, খেলাধুলা, গ্রুপ ওয়ার্ক, কুইজ, পোস্টার প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করাবেন এবং তাদের কাজের মূল্যায়ন করবেন। মূল্যায়ন মানে বর্তমান কালের মতো প্রচলিত পরীক্ষা নয়, নম্বর নয়, গ্রেডিং নয়। নতুন পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী কতোটুকু যোগ্যতা অর্জন করতে পেরেছেন, সে সম্পর্কে শিক্ষক মন্তব্য করবেন। মন্তব্যগুলো হবে-খুব ভালো, ভালো, সন্তোষজনক এবং আরও শেখা প্রয়োজন, এ ধরনের। ফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের শ্রেণিতে প্রথম বা দ্বিতীয় হওয়া বা নম্বর ও গ্রেডিংয়ের পেছনে ছোটার যে অসুস্থ প্রতিযোগিতা সেটি থাকবে না। এখানে শিক্ষকের ভূমিকাই হবে মূখ্য। তাদের বহুমাত্রিক সৃজনশীল, দক্ষ, যোগ্য, অভিজ্ঞ ও মানবিক গুণসম্পন্ন আদর্শ শিক্ষক হতে হবে। সহপাঠীরাও তাদের সতীর্থদের মূল্যায়ন করার সুযোগ পাবেন। যেমন, প্রকল্পভিত্তিক শিখন চর্চায় একজন শিক্ষক তার শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দলে ভাগ করে প্রকল্পভিত্তিক শেখার কাজ দেবেন। কাজটি করার পর শিক্ষার্থীরা তা শ্রেণিকক্ষে উপস্থাপন করবেন। তার ভিত্তিতে শিক্ষক মূল্যায়ন করবেন। আবার দলের ভেতরে থেকেও শিক্ষার্থীরা একে অপরের কাজ মূল্যায়ন করতে পারবেন। এগুলো সবই চমৎকার কথা! কিন্তু ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ থেকে শুরু হওয়া কারিকুলামের বই তিন বছরেরও অধিক সময় ধরে বের হলো, কিন্তু প্রতিটি বইয়ে অজস্র ভুল বের হচ্ছে। ভুল হওয়াটা স্বাভাবিক। যে কোনো কাজ করতে গেলে ভুল কিছু হবেই। গত বছর বইগুলোর ওপর পাইলটিং হয়েছে, বহুবার পত্রিকায় লিখেছি, পাইলটিংয়ের ফলাফল জাতির সামনে পেশ করতে-যাতে সংশ্লিষ্টদের ফিডব্যাক নিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে কম ভুলসহ বইগুলো তুলে দেওয়া যায়। কিন্তু তা ঘটেনি। এখনও শিক্ষার্থীদের কাছে বই র্পৌঁছায়নি, সব বিষয়ের বইও পৌঁছায়নি। অথচ, ভুলে ভুলে একাকার। একজন পাঠক ইতোমধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজি বইয়ে ৪৮টি ভুল বের করেছেন। 

যেভাবে গুলির মুখে বেঁচে এসেছিলেন শেখ হাসিনা

যেভাবে গুলির মুখে বেঁচে এসেছিলেন শেখ হাসিনা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নানা সময়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রতিটি ঘটনায় সৃষ্টিকর্তার অপার মহিমায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধু কন্যা। দৈবক্রমে তিনি বেঁচে গেলেও এই হত্যাচেষ্টার ঘটনাগুলো, কালো অধ্যায় হয়ে আছে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ক্ষমতায় কিংবা ক্ষমতার বাইরে থাকলেও সবসময় তিনিই ঘাতকের বুলেট-বোমার টার্গেট ছিলেন। কার্যত ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট যা সম্পূর্ণ করতে পারেনি, সেটাই বারবার করার চেষ্টা করেছে, এখনও করে যাচ্ছে স্বাধীনতার পরাজিত ঘাতক শক্তি। 

প্রাথমিক শিক্ষকদের সক্ষমতা ও মূল্যায়ন

প্রাথমিক শিক্ষকদের সক্ষমতা ও মূল্যায়ন

‘সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা’ এই শ্লোগানে শিশুর শারীরিক, মানসিক, সামাজিক, নৈতিক, মানবিক, নান্দনিক, আধ্যাত্নিক ও আবেগ-অনুভূতির বিকাশ সাধন এবং তাঁদের দেশাত্মবোধ, বিজ্ঞান মনষ্কতা, সৃজনশীলতা ও উন্নত জীবনের স্বপ্নদর্শনে উদ্বুদ্ধ করাই হলো প্রাথমিক শিক্ষা। আর এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়াই হলো শিক্ষকদের দীক্ষা। আর শিক্ষকদের দীক্ষা দেয়ার দায়িত্ব যাদের হাতে ন্যস্ত তারাই হলেন কর্তা বা কর্মকর্তা। মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়নে দরকার মানসম্পন্ন  পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কৌশল। আর সে কৌশল প্রণয়নে মাঠ পর্যায় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল স্তরের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলেই হয় মানসম্মত পরিকল্পনা। সারাদেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক প্রায় ৪ লাখ। এই শিক্ষকদের সবারই গুরু দায়িত্ব মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়ন করা। এদের মধ্যে যোগ্যতা, দক্ষতা, ইত্যাদি যাচাই-বাছাই করে নিয়োগ দেয়া সরকারি শিক্ষকরাই বেশি। ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে সরকারের দুরদর্শী সিদ্ধান্তে প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণের মাধ্যমে আত্তীকৃত শিক্ষকদের যোগ্যতা ও দক্ষতা সম্পর্কে আমাদের কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল আছেন এবং ছিলেন বলে মনে করি। একটা মজার বিষয় হলো, বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষায় কর্মরত শিক্ষক আছেন ভিন্ন ভিন্ন যোগ্যতায় নানা রকমের এবং বিচিত্র নামে; যা বিশ্বের আর কোথাও আছে কিনা আমার জানা নেই। যেমন: রাজস্বখাতভুক্ত শিক্ষক, প্রকল্পভুক্ত শিক্ষক, জাতীয়করণকৃত শিক্ষক, পুল শিক্ষক, প্যানেলশিক্ষক, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক, পরিক্ষণ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ইত্যাদি! সবার কাজ এক ও অভিন্ন; কিন্তু মানে আর নামে শুধু ভিন্নতা আছে। আর একই স্তরের শ্রেণি, বই, সিলেবাস অনুসরণ করে পাঠদান করা পরিক্ষণ বিদ্যালয় শিক্ষকদের বেতন (১০গ্রেড) সম্পুর্ণ আলাদা।

সুচিত্রা সেনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

সুচিত্রা সেনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী পাবনার মেয়ে মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ।  সুচিত্রা সেনের প্রকৃত নাম রমা দাশগুপ্ত। ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দের ৬ এপ্রিল বাংলাদেশের বৃহত্তর পাবনার সিরাজগঞ্জ মহকুমার ভাঙাবাড়ি গ্রামে নানাবাড়িতে তার জন্ম। পাবনা শহরের বাড়িতে কেটেছে তার শৈশব-কৈশোর। বাবা করুণাময় দাশগুপ্ত ছিলেন স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। বাবা করুণাময় দাশগুপ্ত ও মা ইন্দিরা দেবীর পঞ্চম সন্তান ছিলেন সুচিত্রা সেন। তিন মেয়ের মধ্যে কনিষ্ঠ ছিলেন তিনি। তবে ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে দেশভাগের আগে পরিবারের সঙ্গে কলকাতায় চলে যান তিনি। বড় পর্দায় সুচিত্রার যাত্রা শুরু হয় ১৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে। সব মিলিয়ে ৬০টি সিনেমায় তিনি অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে বাংলা ৫৩টি এবং হিন্দি ভাষার ৭টি সিনেমায় তাকে দেখা গেছে। তার অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘শেষ কোথায়’ হলেও মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম বাংলা সিনেমা ‘সাত নম্বর কয়েদি’। আর প্রথম হিন্দি সিনেমা ‘দেবদাস’ মুক্তি পায় ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে। ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ ও ‘অগ্নিপরীক্ষা’ সিনেমা সুচিত্রাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে যায়। রূপালি পর্দায় সুচিত্রা সেনের নায়ক হিসেবে অভিনয় করে সবচেয়ে বেশি সফল হয়েছিলেন মহানায়ক উত্তম কুমার। অভিনয়ে আসার আগেই সংসার জীবন শুরু হয় সুচিত্রার। ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার শিল্পপতি আদিনাথ সেন তনয় দিবানাথ সেনের সঙ্গে তিনি ঘর বাঁধেন। তার একমাত্র মেয়ে মুনমুন সেন। দুই নাতনি রাইমা সেন ও রিয়া সেনও অভিনেত্রী

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে স্বতন্ত্র কমিশন গঠন প্রসঙ্গে

বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে স্বতন্ত্র কমিশন গঠন প্রসঙ্গে

গত  ১২  জানুয়ারি সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছে বাংলাদেশের ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন (ইউজিসি) ১৭ দফা সুপারিশসহ একটি বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করেছে।  পাবলিক বিশ্ববিদ্যালগুলোতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতি বন্ধে স্বতন্ত্র নিয়োগ কমিশন গঠনের প্রস্তাব এবং ২০২১ খ্রিষ্টাব্দের তথ্য দিয়ে ইউজিসির প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। এতে দেশের অর্ধশতাধিক পাবলিক ও পাঁচটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু কার্যক্রমের প্রতিফলন ঘটেছে। দেশে উচ্চশিক্ষার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা যেমন পর্যাপ্ত নয়, তেমনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বচ্ছতা, জবাবদিহহিতা, গতিশীলতা তো স্বপ্নেরও অতীত, সুশাসন ও মানসম্মত শিক্ষার প্রত্যাশা শুধুই কল্পনা! বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন,২০১০কে এখন জাদুঘরে সংরক্ষণের পরিস্থিতি  বিরাজ করছে! অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বেচ্ছাচার ও দুঃশাসন দানা বেঁধে উঠেছে, নিশ্চিতভাবে একাডেমিক, প্রশাসনিক এবং আর্থিক বিষয় ব্যবস্থাপনার অস্বচ্ছতা এখন যত্রতত্র। এরই মাঝে ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন নিয়ে এসেছে একগুচ্ছ সুপারিশমালা। যদিও যুগ যুগ ধরেই তারা এই কাজ করে আসছে। শিরোনাম হয়েছে ও হচ্ছে সংবাদপত্রের । ‘দুর্নীতি রোধে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে স্বতন্ত্র কমিশনের প্রস্তাব’ (দৈনিক শিক্ষাডটকম)। 

সর্বশেষ

জনপ্রিয়