ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪ , ৩ আষাঢ় ১৪৩১ আর্কাইভস ই পেপার

nogod
nogod
bkash
bkash
uttoron
uttoron
Rocket
Rocket
nogod
nogod
bkash
bkash

দায়িত্ব গ্রহণে অপেক্ষা করতে হবে মেয়র লিটনকে

দেশবার্তা

আমাদের বার্তা, রাজশাহী 

প্রকাশিত: ২১:১৭, ৪ জুলাই ২০২৩

সর্বশেষ

দায়িত্ব গ্রহণে অপেক্ষা করতে হবে মেয়র লিটনকে

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন নির্বাচিত হয়ে শপথ নিলেও দায়িত্ব গ্রহণে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। গত ২১ জুন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আর নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য নিয়মানুযায়ী ২১ মে পদত্যাগ করেন মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। মেয়র লিটনের পদত্যাগের পর থেকে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বে আছেন সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এবিএম শরীফ উদ্দিন (যুগ্ম-সচিব)।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩ জুন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে শপথ করান। একই দিন রাসিকের ৩০টি সাধারণ ওয়ার্ডের এবং ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের শপথ করান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন-২০০৯ অনুযায়ী, বর্তমান পরিষদের মেয়াদ আছে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত। সে কারণে এরপর দায়িত্ব বুঝে নিতে পারবেন এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন।
এদিকে এবার নির্বাচনে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের বর্তমান কাউন্সিলদের পদত্যাগ করতে হয়নি। বর্তমান কাউন্সিলরা ১১ অক্টোবর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন। যারা পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন তারা মেয়াদ শেষে এবং নবনির্বাচিতরা মেয়রের সঙ্গে একই দিন আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝে নেবেন।
এ ব্যাপারে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এবিএম শরীফ উদ্দিন বলেন, নিয়ম অনুযায়ী মেয়র তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
এ বিষয়ে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের পুনর্নির্বাচিত মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, স্থানীয় সরকার আইন অনুযায়ী প্রথম সাধারণ সভার সময় থেকেই মেয়াদ ধরা হয়। গতবার নির্বাচিত হয়ে ১১ অক্টোবর প্রথম সাধারণ সভা দেওয়া হয়েছিল। এ কারণে আবারো নতুন মেয়াদ শুরু হবে ১১ অক্টোবর। নিয়ম মেনেই দায়িত্ব গ্রহণ করা হবে সেদিন। 
প্রসঙ্গত, এ নিয়ে তৃতীয়বারে মতো রাজশাহীর মেয়র নির্বাচিত হন এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। গত ২১ জুন রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ১ লাখ ৬০ হাজার ২৯০ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মুরশিদ আলম পেয়েছিলেন ১৩ হাজার ৪৮৩ ভোট।

জনপ্রিয়