
বছর দুয়েক আগেই মেয়ে আনশার সঙ্গে শাহিন আফ্রিদির বাগদান সেরে রেখেছিলেন শহিদ আফ্রিদি। অবশেষে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বর্তমান সময়ের তারকা পাকিস্তানি পেসার শাহিনের হাতে নিজের মেয়েকে তুলে দিলেন দেশটির সাবেক এই অধিনায়ক।
শুক্রবার ৩ ফেব্রুয়ারি করাচির একটি মসজিদে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন শাহিন-আনশা জুটি। এতে আনুষ্ঠানিকভাবে শহিদ আফ্রিদির মেয়ে জামাই হলেন ২২ বছর এই ক্রিকেটার।
ব্যক্তিজীবনে শহিদ আফ্রিদির বিরাট ভক্ত এবং পাকিস্তান জাতীয় দলে যোগ্য উত্তরসূরী শাহিনের সঙ্গে মেয়ে আনশার বিয়ে দেওয়ার পরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন ৪৫ বছর বয়সী পাকিস্তানের কিংবদন্তি এই ক্রিকেটার।
তাই নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্লাটফর্মে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছেন শহিদ আফ্রিদি। এ সময় নবদম্পতিকে নতুন জীবনের জন্য অভিনন্দনও জানিয়েছেন সাবেক এই অলরাউন্ডার।
টুইটারে আফ্রিদি লিখেন, ‘মেয়ে হলো বাগানের সবচেয়ে সুন্দর ফুল। কারণ, তারা আশীর্বাদের সঙ্গে ফুটে। মেয়ে এমন একজন যার সঙ্গে আপনি হাসেন, স্বপ্ন দেখেন, এবং হৃদয় নিংড়ে ভালোবাসেন। অভিভাবক হিসাবে আমি আমার কন্যার বিয়ে দিয়েছি শাহিন শাহ আফ্রিদির সঙ্গে। তাদের দুজনকে অভিনন্দন।’
পাকিস্তানের গতিতারকা শাহীন শাহ আফ্রিদির টুইটারের কাভার ফটোতে আছে শহীদ আফ্রিদির ছবি। বাল্যকাল থেকেই খেলোয়াড়ি জীবনের আগে থেকেই আফ্রিদির বিরাট ভক্ত ছিলেন শাহিন। সে কারণেই টুইটারে এই তারকার কাভার ফটোতে এখনও আছেন আফ্রিদি। এবার ব্যক্তিজীবনেও আফ্রিদির সঙ্গী হলেন শাহিন শাহ।
এদিকে শাহিন আফ্রিদি ও শহিদ আফ্রিদির মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যেন তারকার মেলা বসেছিল। যেখানে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান ক্রিকেটের বেশকিছু সাবেক-বর্তমান ক্রিকেটারসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। অধিনায়ক বাবর আজম, শাদাব খান, নাসিম শাহ, সরফরাজ খানসহ আরও অনেক সতীর্থরাই উপস্থিত হয়েছিলেন।
এ ছাড়া সাবেকদের মধ্যে শহিদ আফ্রিদির দীর্ঘদিনের সতীর্থ মোহাম্মদ হাফিজ, সাবেক নাম্বার ওয়ান স্কোয়াশ খেলোয়াড় জাহাঙ্গীর খান, আইসিসির জেনারেল ম্যানেজার ওয়াসিম খান, জেনারেল (অব.) অসিম সালেম বাজওয়াও উপস্থিত ছিলেন।
তবে বিপিএল খেলতে বাংলাদেশে থাকায় বিয়েতে উপস্থিত থাকতে পারেননি মোহাম্মদ রিজওয়ান। তবে সতীর্থ শাহিনকে টুইটারের মাধ্যমে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন উইকেটরক্ষক এই ব্যাটার।